top of page

বাড়িতে রয়েছে গুচ্ছেক সোনা! এই নিয়ম না জানলে পকেট ফাঁকা হতে সময় লাগবেনা

সোনার অলংকার (Gold Jewellery) থেকে শুরু করে সোনার বিভিন্ন জিনিসপত্রের প্রতি মানুষের আকর্ষণ ব্যাপক। যে কারণে সুযোগ পেলেই বহু মানুষকেই সোনার অলংকার থেকে সোনার বিভিন্ন জিনিসপত্রে বিনিয়োগ করতে দেখা যায়। অনেকেই রয়েছেন যারা সোনার অলংকার ছাড়াও সোনার বার (Gold), সোনার কয়েন (Gold Coin) ইত্যাদি কিনে রাখেন। তবে এইভাবে যদি কেউ গুচ্ছেক সোনা তিনি থাকেন এবং তিনি একটি নিয়ম না জানেন তাহলে তার পকেট ফাঁকা হতে বেশি সময় লাগবে না।





মূলত সরকারের তরফ থেকে কারো কাছে সোনার গয়না অথবা সোনার অন্যান্য জিনিসপত্র রাখার ক্ষেত্রে একটি সীমারেখা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সেই সীমারেখা অতিক্রম করলেই বিনামূল্যে অর্থাৎ কোনরকম কর না দিয়ে সোনা রাখতে পারবেন না। এই বিষয়ে ১৯৯৪ সালের ১১ মে সিবিডিটি (CBDT) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল এবং সেখানেই সোনা রাখার ক্ষেত্রে কি কি নিয়ম মানতে হবে তা জানিয়ে দিয়েছিল।


১) যদি কোন ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার অন্তর্ভুক্ত হন এবং তিনি নিজের সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখ্য করার সময় তার কাছে থাকা মোট সোনার পরিমাণ উল্লেখ করেন তাহলে তার কাছে থাকা সোনা কোন ভাবেই বাজেয়াপ্ত করা হবে না। তবে ওই ব্যক্তি যে পরিমাণ সোনা উল্লেখ করেছেন তার থেকে যদি বেশি সোনা পাওয়া যায় তাহলে সেই সোনা বাজেয়াপ্ত করবে সরকার।


২) যদি কোন ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার অন্তর্ভুক্ত না হয়ে থাকেন, তাহলে ওই ব্যক্তি সরকার নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত সোনার গয়না অথবা সোনার অন্যান্য জিনিসপত্র নিজের কাছে রাখতে পারবেন। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকলে কোন ভাবেই তার সোনা বাজেয়াপ্ত করা হবে না। কিন্তু যদি নির্দিষ্ট সীমার বাইরেও ওই ব্যক্তির কাছে সোনা থাকে তাহলে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে।


৩) এছাড়াও বেশ কিছু নিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে সোনার অলংকার বা সোনার কোনো বস্তু উপহার পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারকে কর দিতে হবে। এক্ষেত্রে উপহার পাওয়া সোনার অলংকার অথবা সোনার বস্তুর দাম ৫০ হাজার টাকা পার করলে তা করযোগ্য। নাগরিকের রোজগারের উপর ভিত্তি করে অন্য কোন জায়গা থেকে রোজগারের উপর এই কর ধার্য করা হয়।


৪) তবে বেশ কিছু ক্ষেত্রে রয়েছে যেখানে সোনার অলংকারের দাম ৫০ হাজার টাকা পার করলেও কর দিতে হয় না। যদি কেউ স্বামী অথবা স্ত্রী বা স্বামী-স্ত্রীর ভাই-বোনেদের থেকে উপহার পান তাহলে কর দিতে হয় না। পূর্বপুরুষ অথবা বংশধরদের থেকে পাওয়া উপহারের ক্ষেত্রেও কর দিতে হয় না। বিয়ের অনুষ্ঠানে বন্ধুবান্ধব অথবা আত্মীয়দের থেকে পাওয়া উপহারের ক্ষেত্রেও কর লাগু হয় না। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতেও কর দিতে হয় না।


এখন মনে একটি প্রশ্ন জাগতে পারে, আর সেই প্রশ্নটি হল কার কাছে কত পরিমাণ সোনা কর ছাড়াই রাখা যায় অর্থাৎ করহীন সোনার পরিমাণ কত? এক্ষেত্রে মহিলা ও পুরুষ ভেদে পরিমাণ আলাদা আলাদা রয়েছে। কোনরকম নিয়মের বাইরেই অবিবাহিত মহিলারা ২৫০ গ্রাম এবং বিবাহিত মহিলারা ৫০০ গ্রাম সোনার অলংকার রাখতে পারেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে এমন সোনার পরিমাণ হলো ১০০ গ্রাম।

Comments


bottom of page